ফিউচার মার্কেটে জাপানি রাবারের দাম অপরিবর্তিত

বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার শঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক থাকায় ফিউচার মার্কেটে বৃহস্পতিবার জাপানি রাবারের দাম প্রায় অপরিবর্তিত ছিল।

বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার শঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক থাকায় ফিউচার মার্কেটে বৃহস্পতিবার জাপানি রাবারের দাম প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। চীনের দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্য ও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বিওজে) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দেয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ওসাকা এক্সচেঞ্জে (ওএসই) অক্টোবরে সরবরাহ চুক্তির রাবারের দাম দশমিক ১ ইয়েন বেড়ে কেজিপ্রতি ২৯৪ ইয়েনে (প্রায় ২ ডলার ৪ সেন্ট) দাঁড়িয়েছে। তবে সারাদিনের লেনদেনে মূলত তেমন পরিবর্তন আসেনি। পুরো এপ্রিলে এ চুক্তির দাম ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে, যা ২০১৭ সালের পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতন।

বিশ্বের শীর্ষ রাবার ক্রেতা দেশ চীনের এপ্রিলের কারখানা কার্যক্রম ১৬ মাসের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত হারে সংকুচিত হয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে। দেশটির আর্থিক বাজার ১-৫ মে পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনীতি তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সংকুচিত হয়েছে। আমদানি বেড়ে যাওয়ায় এ পতন হয়েছে, যা মার্কিন শুল্কনীতি থেকে রক্ষা পেতে ব্যবসায়ীদের আগাম পণ্যের মজুদের ইঙ্গিত দেয়।

জাপানে বিওজে সুদহার অপরিবর্তিত রাখলেও প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একটি বেসরকারি জরিপে দেখা গেছে, এপ্রিলে টানা দশম মাসের মতো জাপানের কারখানা কার্যক্রম সংকুচিত হয়েছে, যার পেছনে প্রধান কারণ বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস ও শুল্কসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা।

জাপানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে। তবে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বড় আকারে কমিয়েছে। এক বেসরকারি জরিপে দেখা গেছে, এপ্রিলে টানা দশম মাসের মতো দেশটির কারখানার কার্যক্রম কমেছে। এর পেছনে কারণ হিসেবে বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়া ও শুল্কসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা উঠে এসেছে।

তবে এসব উদ্বেগের মধ্যেও জাপানের নিক্কেই শেয়ার সূচক বৃহস্পতিবার বেড়েছে। কারণ বাজার বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন বিওজে দীর্ঘ সময় নীতিগত সহনশীলতা বজায় রাখবে।

আরও